সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

টক দই এর গুণাগুণ

“টক দই কে আজীবন সঙ্গী করুন” উপরের লাইনটি দেখে হয়ত অবাক হচ্ছেন, কিন্তু অবাক হবেন না এটাই বাস্তব, দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিক জীবন জাপনের জন্য খাদ্য একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,আর নিজেদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় দই কে রাখা অপরিহার্য। দই সব শ্রেণীর মানুষ অত্যন্ত পছন্দ করে। সব ঋতুতেই দই খেতে পারা জায়। দুই রকমের দই আছে সেটা আমরা সবাই জানি যথা টক দই ও মিষ্টি দই । টক দইয়ের তো আর গুনাগুনের শেষ নেই। প্রথমে হজমের কথা বলি ---- আমাদের   অন্ত্রনালিতে ল্যাকটোব্যাসিলাস জীবাণু থাকে। এর সঙ্গে দইয়ের ল্যাকটোব্যাসিলাস জীবাণু মিশে কার্বোহাইড্রেট খাদ্য হজমে খুবই সাহায্য করে।বলা বাহুল্য যে মাছ,মাংস,ডিমে যে জটিল প্রোটিন থাকে তাকে দই সহজপাচ্য করে। দুধ থেকে দই বনানোর সময় দই এ বিভিন্ন প্রকার উপকারি জীবাণু তৈরি হই এরা আন্ত্রিক সহ পেটের রোগ সৃষ্টিকারি জীবাণুর বিরুদ্ধে খুবই কারজকরি। এছাড়া দই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, কোস্টকাঠিন্য দুর করে। তবে আলোচনার শুরুতেই আমি দুই প্রকার দই এর কথা বলেছিলাম টক দই ও মিষ্টি দই, টক দই থিক যতটা উপকারি মিষ্টি দই ঠিক তার বিপরীত অর্থাৎ অপকারি। মিষ্টি দই কে মূলত দূরে র...